ফ্রিডম বাংলা নিউজ

বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৪ |

EN

যুদ্ধে ৩১ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত: জেলেনস্কি

বিশ্ব বাংলা ডেস্ক | আপডেট: সোমবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৪

যুদ্ধে ৩১ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত: জেলেনস্কি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার পুরোদস্তুর সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে দু’বছরে ৩১ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। এটি কিয়েভের সামরিক ক্ষয়ক্ষতির ইতিহাসে বিরল ঘটনা। 

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর দুই বছর পূর্তির একদিন পর রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) যুদ্ধে সৈন্য হারানোর এই হিসাব দিলেন জেলেনস্কি। খবর সিএনএন।

জেলেনস্কি জানান, যুদ্ধে কত সেনা আহত হয়েছেন, সে হিসাব দিতে পারছেন না। এর কারণ হিসেবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সংখ্যাটা প্রকাশ করা হলে রাশিয়ার জন্য সামরিক কৌশল গ্রহণে সাহায্য করা হবে।

সাধারণত ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা যুদ্ধে সেনাদের হতাহতের পরিসংখ্যান প্রকাশ করে না এবং এ বিষয়ে অন্যান্য অনুমানেও অনেক বেশি সৈন্য হতাহতের কথা বলা হয়েছে। ইউক্রেনের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর দেওয়া সহায়তার অর্ধেকই বিলম্বিত হয়েছে বলে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মন্তব্য করার পর জেলেনস্কির পক্ষ থেকে এই পরিসংখ্যান সামনে এলো।

যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা বলতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের এলাকায় কয়েক হাজার বেসামরিক মানুষ মারা গেছে কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা জানা যায়নি। তিনি বলেন, ‘তাদের মধ্যে কতজন মারা গেছে, কতজন নিহত হয়েছে, কতজনকে হত্যা করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে, কতজনকে নির্বাসিত করা হয়েছে তা আমি জানি না।’

ইউক্রেনের পক্ষে সামরিক মৃত্যুর সংখ্যা সামনে আনা বিরল এবং অনুমানের ভিত্তিতে অন্যান্য যেসব পরিসংখ্যান বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে, তাতে রুশ হামলায় নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

মার্কিন কর্মকর্তারা গত বছরের আগস্টে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের সংখ্যা ৭০ হাজার এবং আহত সেনাদের সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজার বলে উল্লেখ করেছিল।

অন্যদিকে রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, যুদ্ধে ১ লাখ ৮০ হাজার রুশ সৈন্য নিহত হয়েছে এবং আরও কয়েক হাজার আহত হয়েছে।

মূলত যুদ্ধের দ্বিতীয় বার্ষিকী এমন এক সময়ে সামনে এসেছে যখন নিজের ভূখণ্ড থেকে রাশিয়াকে বিতাড়িত করার প্রচেষ্টায় বিভিন্ন ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে ইউক্রেন।