ফ্রিডম বাংলা নিউজ

শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৪ |

EN

জেএমবির তিন জঙ্গিকে হেফাজতে নিচ্ছে এনআইএ

ফ্রিডমবাংলানিউজ ডেস্ক | আপডেট: রবিবার, আগস্ট ৮, ২০২১

জেএমবির তিন জঙ্গিকে হেফাজতে নিচ্ছে এনআইএ

নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের তিন সদস্য অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের পর মুসলিম যুবকদের নিয়োগ ও প্রেরণার মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ অর্থাৎ উভয় দেশের সরকারের বিরুদ্ধে সংঘাতের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে দেশটির সন্ত্রাস দমন সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)।

 

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা গত জুলাইয়ের শুরুর দিকে হরিদেবপুরের একটি ভাড়া বাড়ি থেকে নাজিউর রহমান, শেখ সাব্বির ও রবিউল নামে জামাতুল মুজাহিদীনের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে। পরে ১০ জুলাই কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স একটি এফআইআর দায়ে করে। এনআইএ ৫ আগস্ট এফআইআর পুনরায় নথিভুক্ত করে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।

 

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃতরা ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। বিভিন্ন ধরনের ফল বিক্রি রিকশা চালিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেছিলেন তারা।

 

ভারত-বাংলাদেশ সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার জামাতুল মুজাহিদীনের এই তিন জঙ্গিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় এনআইএ। নাজিউরসহ তিন জেএমবি জঙ্গিকে এনআইএর কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করবেন বলে শুক্রবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করেছে। দেশটির সরকারি সংবাদসংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

হরিদেবপুর থেকে ওই তিন জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ শাখা। পরে আরও একজনকে গ্রেফতার হয় বারাসাত থেকে। এসটিএফ বলছে, বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ এবং নতুন মডিউলে স্লিপার সেল তৈরি দুই লক্ষ্য নিয়ে কলকাতায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন তারা। কলকাতার কয়েকটি ব্যাংক, গয়নার শোরুম, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি করার জন্য রেকিও করেছিলেন জেএমবির এই তিন সদস্য।

 

তবে পুরো এই ছকের নেপথ্যে রয়েছে বাংলাদেশে কারাবন্দি জেএমবি জঙ্গি তাহিদ তাসনিম। দেশটির সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮ বলছে, জেলে বসেই তাসনিম এই পরিকল্পনা এঁকেছিলেন বলে ধারণা করছেন কলকাতা পুলিশের এসটিএফের সদস্যরা। এবার সেই ঘটনার ভেতরে ঢুকতে চায় এনআইএ।

 

এসটিএফ বলছে, সেলিম মুন্সি নামে জেএমবির অপর এক সদস্য হরিদেবপুরে বাড়ি ভাড়া পেতে ওই তিন জঙ্গিকে সাহায্য করে। বাংলাদেশে কারাবন্দি জেএমবি নেতা আল আমিনের নির্দেশে ১৫ জনের একটি দল বাংলাদেশ থেকে মালদহ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। জেএমবির নতুন মডিউল তৈরির নির্দেশ ছিল আল আমিনের।