ফ্রিডম বাংলা নিউজ

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২৩ |

EN

টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবি-বিজিপি যৌথ টহল

আমান উল্লাহ কবির,টেকনাফ,কক্সবাজার | আপডেট: মঙ্গলবার, জানুয়ারী ২৪, ২০২৩

টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবি-বিজিপি যৌথ টহল
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) এর মধ্যে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে নাফ নদীতে যৌথ সমন্বিত টহল পরিচালনা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত কার্যকরীভাবে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যে ২৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯ টায় এই সমন্বিত টহল পরিচালনা করা হয়।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়কলেঃ কর্ণেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার জানান- সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সকল প্রকার প্রটোকল মেনে সীমান্তের শূন্য লাইনে নাফ নদীতে বিজিবি-বিজিপি পর্যায়ে যৌথ টহল পরিচালনা করা হয়।

তার নেতৃত্বে উক্ত যৌথ টহলে ১২ সদস্য এবং বিজিপি’র পক্ষে ১২ জন সদস্য অংশ নেয়। বিজিপির পক্ষে নেতৃত্ব দেন  ১নং বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল ইয়ে ওয়াই শো।

যৌথ টহল সকাল সাড়ে নয়টায় শুরু হয়ে দুপুর পৌনে একটা পর্যন্ত চলে। যা অত্যন্ত শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে টহলের সমাপ্তি হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ হতে প্রায় ৩ বছর বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ২০২২ সালের জুলাই মাস হতে মায়ানমার সীমান্তে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে উভয় দেশের মধ্যে যৌথ টহল বন্ধ ছিল যা সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিরুপ প্রভাব ফেলছিল। এরই প্রেক্ষিতে উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর ঐকান্তিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় এবং গত বছরের ৩০ অক্টোবর বিজিবি-বিজিপি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকে উভয় দেশের সম্মতিতে সীমান্তে সার্বক্ষণিক নজরদারীর লক্ষ্যে এই যৌথ টহল শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়। যার প্রেক্ষিতে ২৪ জানুয়ারি উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে যৌথ টহল পরিচালনার কার্যক্রম শুরু করে। যৌথ টহল পরিচালনার ফলে নাফ নদীতে যে সকল দ্বীপ বাংলাদেশ-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমারেখা বরাবর অবস্থিত এবং যে সকল দ্বীপসমূহ চোরাকারবারী অথবা দুস্কৃতিকারী দল এর অভয় আশ্রম হিসেবে ব্যবহার হতো উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী সমূহের উপস্থিতিতে সে সকল দ্বীপসমূহে স্ব স্ব সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে। ভবিষ্যতেও দুটি বন্ধু প্রতীম রাষ্ট্রের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর যৌথ টহল কার্যক্রম চলমান থাকবে।

উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী এই যৌথ টহল কার্যক্রম চলমান রাখার মাধ্যমে নিজস্ব সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে পারবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করছে।